নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি বা বর্তমান বাজার সম্পর্কে প্রতিবেদন

নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বৃদ্ধি | ভাজ্যতেল আপডেট সম্প্রতি কিছু দিন আগে ঘোষণা পাওয়া গেছে যে , খোলা সয়াবিন তেল প্রতি লিটার ১৮২ থেকে ১৯০ টাকা, বোতলজাত প্রতি লিটার ১৯৫ থেকে ২০০ টাকা |

৫ লিটারের বোতল ৯৭৫ থেকে ৯৯০ টাকায় কেনাবেচা হয়েছে। আর পাম তেলের দাম ছিল লিটার প্রতি ১৬৫ থেকে ১৭২ টাকা এবং পাম সুপার বিক্রি হয় প্রতি লিটার ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকায়।অন্যদিকে দাম কমানোর পর প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি করা হবে ১৬৬ টাকায়।শোনা যাচ্ছে যে ,৩১ জুলাইয়ের পর বাজারে আর খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হবে না। এ ছাড়া ভোজ্যতেল, চিনি, পেঁয়াজসহ নিত্যপণ্যের আন্তর্জাতিক বাজারদর কমলে দেশের বাজারেও কমানোর ব্যবস্থা করা হবে।

– চাউল আপডেট গত ১৫ দিনে মিনিকেট চাউল এর দাম প্রতিটি ৫০ কেজির বস্তায় বেড়েছে অন্তত ২০০ টাকা। বর্তমানে মিনিকেটের ৫০ কেজির বস্তা টাকা করে বিক্রি হচ্ছে ২৪০০ টাকার উপরে।প্রতি কেজি ৬১-৭১ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে।

প্রতি কেজি তে -বিআর-২৮ বিক্রি হচ্ছে ৫১-৫৪ টাকায়,
– পারিজাত বিক্রি হচ্ছে ৪৬-৪৮ টাকা,
– নাজিরশাইল বিক্রি হচ্ছে ৬৫-৭৮ টাকা,
– এবং জিরাশাইল ৫৮-৫৯ টাকা ।

মোটা চালের ৫০ কেজির বস্তা বিক্রি হতো ১ হাজার ৯৫০ টাকায়। এখন একই বস্তার দাম হয়েছে ২ হাজার ১০০ টাকা।চালের মূল্য বৃদ্ধির কারণ জানতে চাইলে নওগাঁ জেলা চালকল সমিতির সাধারণ সম্পাদক ফরহাদ হোসেন চকদার বিডিনিউজটোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “গত দুই বছর ধরেই ধান ও চালের দাম অনেক কম ছিল। ফলে কৃষকরা লাভ তো দূরের কথা উৎপাদন ব্যয়ও সামাল দিতে পারেননি।

দাম না পেয়ে ইতোমধ্যে অনেক কৃষক চাষাবাদ ছেড়ে দিয়েছেন। এটি বাজারের জন্য খুবই খারাপ খবর। দাম না বাড়ালে কৃষকদের চাষে ফেরানো যাবে না।”মোটা চাল একশ টাকা থেকে দেড়শ টাকা বেড়েছে। বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মিনিকেট চালের দাম এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ৩০০ টাকা বেড়ে গেসে ।

আটাশ চাল ও নাজিরশাইলের দামও আড়াইশ টাকা করে বেড়েছে।ডায়মন্ড,মনজুর, সাগর, এরফান, রশিদ ও মোজাম্মেল ব্র্যান্ডের ৫০ কেজির বস্তা মিনিকেট চাল বিক্রিহচ্ছে ২৪০০ টাকায়। সজিব ও নজরুল ব্র্যান্ডের ৫০ কেজির বস্তা মিনিকেট বিক্রি হচ্ছে ২৩৫০টাকা।

আটাশ চাল রয়েছে ১৫৫০টাকা থেকে ১৯০০ টাকার মধ্যে। রাজ্জাক ও পালকি ব্র্যান্ডের ৫০ কেজির বস্তা নাজির চাল ২৬০০ টাকা। মোটা চালের মধ্যে গুটি চালের ৫০ কেজির বস্তা ১৪০০ টাকা এবং পাইজাম চালের ৫০ কেজির বস্তা ১৫০০ টাকা।- সবজি আপডেটপ্রতি কেজি কাঁচা মরিচ ১৪০ থেকে ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এক সপ্তাহ আগে যা ছিল ৮০ থেকে ১০০ টাকা।আর পটোল, ঢ্যাঁড়স, বরবটি, পেঁপে, কচুমুখী, কাঁকরোল, চিচিঙ্গা, ধুন্দল ও ঝিঙে খুচরা বাজার প্রতি কেজি ৪০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।টমেটো প্রতি কেজি ১২০ থেকে ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।হাইব্রিড ও দেশি শসা গতকাল প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

১৮০ থেকে কমে গাজর ১২০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আকারভেদে এক ডজন লেবু ২০ থেকে ৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মানভেদে ধনেপাতাb১৫০ থেকে ২০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।এক ডজন ডিম এখন বিক্রি হচ্ছে ১২৫ থেকে ১৩০ টাকায়। আর বিভিন্ন মুদি দোকানে এক পিস ডিম বিক্রি হচ্ছে ১২ টাকা।

– মুরগি আপডেটব্রয়লার মুরগির কেজি ১৫৫ থেকে ১৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে ছিল ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা। পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির কেজি ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা ঈদের আগে ছিল ২৫০ থেকে ২৮০ টাকা।

– মাছ আপডেটপ্রতি কেজি তে রুই মাছের কেজি ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া, পাঙাশ মাছের কেজি ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শিং মাছের কেজি ৩০০ থেকে ৪৬০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। শোল মাছের কেজি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। কৈ মাছ ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, পাবদা মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

এক কেজি ওজনের ইলিশের কেজি ১৪০০ থেকে ১৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ৭০০-৮০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ৪০০-৫০০ গ্রাম ওজনের ইলিশের কেজি ৪৫০ থেকে ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

-মসলা আপডেটখুচরায় প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ ৫৫-৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে রসুন ও আদা ১০০-১৪০ টাকার মধ্যে মিলছে। আবার দেশি রসুন মিলছে ১০০ টাকার কমে। অন্যদিকে চীনের আমদানি করা বড় রসুন, যেগুলো সহজে খোসা ছাড়ানো যায় সেটা কিনতে গুনতে হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা বাড়তি।জিরা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৩৬০-৩৮০ টাকায়। এছাড়া আফগানি জিরা ৪০০ টাকা কেজিতে মিলছে।

দারুচিনি প্রতি কেজি ৩৮০-৪০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে , ধনিয়া ১৬০-২০০, তেজপাতা ২২০-২৫০, গোলমরিচ ৭০০-৮০০, সাদাফল (এলাচ) ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার ও লবঙ্গ ১ হাজার ৬০ থেকে ১ হাজার ১৮০ টাকায়। আলু বোখারা ৩৫০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জায়ফল প্রতি কেজি ৫৮০-৫৯০ এবং যৌত্রিক ২ হাজার ৩৮০ থেকে ২ হাজার ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

Leave a Comment